শিরোনাম :

  • রবিবার, ১৬ জুন, ২০১৯

রাজীবের মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণের রায় পেছাল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীতে দুই বাসের রেষারেষিতে তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজীব হাসানের হাত হারানো ও পরে মৃত্যুর ঘটনায় কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে করা রিটের রায় পিছিয়েছে। আদালত আগামী ২০ জুন রায়ের নতুন দিন ধার্য করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ মে) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ নতুন এই তারিখ ধার্য করেন।

এর আগে ক্ষতিপূরণ প্রশ্নে রুলসহ কয়েকটি বিষয়ে রুলের শুনানি শেষে ১৯ মে হাইকোর্ট ২৩ মে রায়ের জন্য দিন ধার্য করেছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় আজ বিষয়টি রায়ের জন্য কার্যতালিকায় ওঠে। কোনো ব্যক্তি দুর্ঘটনায় আহত বা নিহত হলে সংশ্লিষ্ট যানের ইনস্যুরেন্সকারী কোম্পানি কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে, বিষয়টি নিয়ে আদালতে শুনানি হয়। ইনস্যুরেন্স–সংক্রান্ত এই বিষয় সামনে আসার প্রেক্ষাপটে আদালত শুনানি নিয়ে রায়ের ওই দিন ধার্য করেন।

আজ আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আবেদনকারী আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস। বিআরটিসির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে অংশ নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাতার হোসেন।

গতবছর ৩ এপ্রিল দুই বাসের চাপে হাত কাটা পড়ে রাজীবের। এ ঘটনায় পরদিন ৪ এপ্রিল রিট আবেদন করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। এদিন রাজীবের পরিবারকে কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে রুল জারি করেন আদালত। কিন্তু রাজিব ওই বছরের ১৬ এপ্রিল দিবাগত রাতে মারা যান। রাজীবের মৃত্যুর খবর জানানোর পর আদালত গতবছর ৮ মে এক আদেশে রাজীবের দুই ভাইকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দেন। আপিল বিভাগ একই বছরের ২২ মে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে দেন। একইসঙ্গে হাইকোর্টকে কমিটি করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। এরপর হাইকোর্ট গতবছর ৩০ মে এক আদেশে একটি কমিটি গঠন করে দেন।

এই কমিটির দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই বাসের চালকের (বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহন) বড় গাড়ি চালানোর লাইসেন্স ছিল না। তাদের হালকা যানবাহন চালানোর লাইসেন্স ছিল। ওই প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে মোট ১৮ দফা সুপারিশ করা হয়। এই প্রতিবেদন গতবছর ১৫ অক্টোবর আদালতে উপস্থাপন করা হয়। এরপর রুলের ওপর গত ৩ এপ্রিল চূড়ান্ত শুনানি শুরু হয়। এই রুলের ওপর শুনানি শেষে রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন আদালত।