শিরোনাম :

  • শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

উচ্চ আদালতের সালতামামি

খালেদা জিয়ার জামিন, বেআইনি রায়, ৩ বিচারপতির ওএসডিতে উত্তাপ

সানাউল্লাহ |♦|

বিদায়ী ২০১৯ সালে দেশের সর্বোচ্চ আদালত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আশা জাগানোর পরিবর্তে আগের বছরগুলোর মতই হতাশা বাড়িয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিমকোর্টে নানা ঘটনায় পরিপূর্ণ ছিল বছরটি। বিশেষ করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেয়া সাজা ও জামিন শুনানি নিয়ে উত্তেজনা ছিল আদালত অঙ্গনে। এছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ, বিচারপতি নিয়োগ, দুর্নীতির অভিযোগে তিন বিচারপতিকে বিচারকাজ থেকে বিরত রাখা, বিচারাধীন মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে সংবাদ পরিবেশনে নির্দেশনা, মাদক মামলার বিচারে ট্রাইব্যুনাল না হওয়ায় হাইকোর্টের অসন্তোষ এবং দুই শতাংশ ডাউন পেমেন্টে ৯ শতাংশ সুদে ১০ বছরে খেলাপি ঋণ পরিশোধের সুবিধা নিয়ে হাইকোর্টের রায় ছিল উল্লেখযোগ্য।

এ বছর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় হাইকোর্টের দেয়া ১০ বছরের সাজার রায় স্থগিত চেয়ে লিভ টু আপিল করেন খালেদা জিয়া। আর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিচারিক আদালতের দেয়া সাত বছরের দণ্ড বাতিল ও খালাস চেয়ে খালেদা জিয়ার করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি বিচারিক আদালতের রায়ে দেয়া অর্থদণ্ড স্থগিত এবং সম্পত্তি জব্দের আদেশে স্থিতাবস্থা দেন আদালত। অন্য মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেও জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় জামিন মেলেনি খালেদা জিয়ার। খালেদা জিয়ার জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে আপিল বিভাগের এজলাসে তুমুল হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। শেষ পর্যন্ত ওই এজলাসে সিসি ক্যামেরাও বসানো হয়।

জিয়া চ্যারিটেবলে জামিন আবেদন আপিল বিভাগেও খারিজ : ১২ ডিসেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ৬ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ জামিন আবেদনটি খারিজ করেন। আদালত আদেশে বলেন, খালেদা জিয়ার সম্মতি থাকলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) বোর্ড অ্যাডভান্সড ট্রিটমেন্টের (উন্নত চিকিৎসা) ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। এদিন আদালতের বাইরে বিএনপিপন্থী ও সরকার সমর্থক আইনজীবীদের পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ আর কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আবেদনটির শুনানি হয়। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় হাইকোর্ট ৩১ জুলাই খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনটি খারিজ করে দিলে ১৪ নভেম্বর আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিল করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবীরা। ৫ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার সর্বশেষ মেডিকেল রিপোর্ট তলব করেন আদালত। এদিন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা এজলাসে তুমুল হট্টগোল করেন। এরপর আপিল বিভাগের এজলাস কক্ষে আটটি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়। দুর্নীতির দুই মামলায় মোট ১৭ বছরের কারাদণ্ড মাথায় নিয়ে কারাবন্দি খালেদা জিয়া গত এপ্রিল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মোট ৩৬ মামলার মধ্যে জিয়া চ্যারিটেবল ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা ছাড়া অন্য মামলাগুলোয় জামিনে আছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

খালেদা জিয়ার আপিল গ্রহণ, অর্থদণ্ড স্থগিত : ৩০ এপ্রিল জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিচারিক আদালতের দেয়া দণ্ড বাতিল ও খালাস চেয়ে খালেদা জিয়ার করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি বিচারিক আদালতের রায়ে দেয়া অর্থদণ্ড স্থগিত এবং সম্পত্তি জব্দের আদেশে স্থিতাবস্থা দিয়েছেন আদালত। তবে এই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনটি শোনেননি আদালত। জামিনের আবেদনটি নথিভুক্ত করে দুই মাসের মধ্যে মামলার নথি তলব করা হয়। আদেশে বলা হয়, নথি পাওয়ার পর জামিনের বিষয়ে বিবেচনা করা হবে। বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুছ জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে আসা প্রায় সোয়া ৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ চার আসামির সবাইকে সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে আগের বছর ২৯ অক্টোবর এই মামলার রায় হয়। পাশাপাশি তাদের ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। আর ট্রাস্টের নামে কেনা কাকরাইলের ৪২ কাঠা জমি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা হয় রায়ে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় লিভ টু আপিল : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় হাইকোর্টের দেয়া ১০ বছরের সাজার রায় স্থগিত চেয়ে লিভ টু আপিল করেন খালেদা জিয়া। এতে জামিনের আরজিও রয়েছে। ১৪ মার্চ আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই লিভ টু আপিলটি করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ রায় দেন। রায়ে খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ ও মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়। রায়ে খালেদা জিয়াসহ ছয় আসামির সবাইকে মোট ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা ৮০ পয়সা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। অর্থদণ্ডের টাকা প্রত্যেককে সম অঙ্কে দেয়ার কথা বলা হয়। এ সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়া আপিল করলে ৫ বছরের সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন হাইকোর্ট।

ঋণ পুনঃতফসিলিকরণ সংক্রান্ত বিশেষ সুবিধা বহাল : ৩ নভেম্বর এক রায়ে ঋণ পুনঃতফসিলিকরণ সংক্রান্ত বিশেষ সুবিধা বহাল রাখেন হাইকোর্ট। ঋণখেলাপিদের এ সংক্রান্ত বিশেষ সুবিধা দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নেয়া সিদ্ধান্তের ওপর হস্তক্ষেপ করেননি আদালত। হাইকোর্ট বলেন, বিশেষ সুবিধা সংক্রান্ত ওই সার্কুলারের মেয়াদ আরও ৯০ দিন বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বলা হয়। বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ দীর্ঘ শুনানি নিয়ে এ রায় দেন। রায়ে ব্যাংকিং খাতের অনিয়ম ও দুরবস্থা নিরসনে নয় সদস্যের কমিটি গঠন করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে বলা হয়। এছাড়া ব্যাংকের এমডি থেকে সর্বনিম্ন পাঁচ পদে নিয়োগের বিষয়টিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে দায়িত্ব দেয়া হয়। আদালত বলেন, আমরা মনে করি সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সুদের হার ডাবল ডিজিট থেকে সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনা উচিত। আদেশে আদালত আরও বলেন, ১৬ মে জারি করা ২ শতাংশ ঋণ সুবিধা দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তি আইনত বৈধ। এ বিজ্ঞপ্তির মেয়াদ আরও ৯০ দিনের জন্য বাড়াতে পারবে কর্তৃপক্ষ। খেলাপিদের নতুন ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে ২০১২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা বিজ্ঞপ্তির আলোকে ১৫ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে আবেদন করতে হবে। পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, ২৩ জুলাই মোট ঋণের ২ শতাংশ এককালীন জমা দিয়ে একজন ঋণখেলাপি ১০ বছরের জন্য ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ পাবেন- বাংলাদেশ ব্যাংকের এমন নীতিমালা কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিবাদীদের ১০ দিনের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

একটি বেঞ্চের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে রায় দেয়ার অভিযোগ : ১৬ মে বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের বিরুদ্ধে একটি মামলায় এখতিয়ারবহির্ভূত ও বেআইনিভাবে আদেশ দেয়ার অভিযোগ করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বিভাগে এ অভিযোগ ওঠে। এ সময় ন্যাশনাল ব্যাংকের মামলায় হাইকোর্টের ওই বেঞ্চ অর্থ ঋণ আদালতকে তাদের আদেশ মতো ডিক্রি দিতে বলায় কঠোর সমালোচনা করেন আপিল বিভাগ।

বিচারাধীন মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে সংবাদ পরিবেশনে নির্দেশনা : অ্যাটর্নি জেনারেলের অভিযোগের পর ১৬ মে হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মো. গোলাম রব্বানী এক নির্দেশনা জারি করেন। এতে বলা হয়, ‘ইদানীং’ কোনো কোনো ইলেকট্রনিক মিডিয়া তাদের চ্যানেলে এবং কোনো কোনো প্রিন্ট মিডিয়া তাদের পত্রিকায় বিচারাধীন মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন/স্ক্রল করছে, যা ‘একেবারেই অনভিপ্রেত’। এমতাবস্থায় বিচারাধীন কোনো বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন/স্ক্রল করা থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হল। সুপ্রিমকোর্টের এ নির্দেশনার পর গণমাধ্যম, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন সংগঠন ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখায়। তারা এর তীব্র প্রতিবাদ করেন।

তিন বিচারপতিকে বিচারকাজ থেকে বিরত রাখার নির্দেশ : ২২ আগস্ট অসদাচরণের অভিযোগে হাইকোর্টের ৩ বিচারপতিকে বিচারকাজ থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত হয়। তারা হলেন- বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী, বিচারপতি একেএম জহিরুল হক ও বিচারপতি কাজী রেজাউল হক। সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন থেকে এই সিদ্ধান্তের কথা তাদের জানানো হয়। এতে বলা হয়, হাইকোর্টের তিনজন বিচারপতির বিরুদ্ধে প্রাথমিক অনুসন্ধানের প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে তাদের বিচারকার্য থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্তের কথা তাদের অবহিত করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে তারা ছুটির প্রার্থনা করেন। ৩১ আগস্ট সুপ্রিমকোর্ট তাদের ছুটি মঞ্জুর করেন।

মাদক মামলার ট্রাইব্যুনাল না হওয়ায় হাইকোর্টের উষ্মা : ২০ অক্টোবর হাইকোর্ট এক রায়ে বলেন, রূঢ় বাস্তবতা হল- ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৪৪ ধারা অনুসারে কোনো ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা বা বিকল্প হিসেবে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অতিরিক্ত জেলা জজ বা দায়রা জজদের ট্রাইব্যুনাল হিসেবে কাজ পরিচালনার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। আইনে কোনোরূপ সংশোধনও করা হয়নি। সৃষ্ট এ পরিস্থিতি অনভিপ্রেত, দুঃখজনক ও হতাশাজনক। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই অভিমতসহ রায় দেন।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ নিয়ে হাইকোর্টের অসন্তোষ : ২৮ আগস্ট ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ না হওয়ায় সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম নিয়ে হাইকোর্ট অসেন্তাষ প্রকাশ করেন। এদিন ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ ও এডিস মশার আবাসস্থল ধ্বংসের লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে ব্যাপকভাবে ওষুধ ছিটানো ও অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দীর সমন্বিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে তিন বিচারপতিকে নিয়োগ দেয়ায় ক্ষোভ : ৯ অক্টোবর জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে তিন বিচারপতিকে আপিল বিভাগে নিয়োগ দেয়ায় সমিতির সম্মেলনকক্ষে সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয় তিন বিচারপতিকে সংবর্ধনা না দেয়ার। এছাড়া আপিল বিভাগে নীতিমালা লঙ্ঘন করে বিচারপতি নিয়োগ দেয়ার একটি নিন্দা প্রস্তাব গৃহীত হয়। তিন বিচারপতি হলেন- বিচারপতি জিনাত আরা, বিচারপতি আবু বকর সিদ্দীকী ও বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান।