শিরোনাম :

  • রবিবার, ১৬ জুন, ২০১৯

শিক্ষানীতি বাতিল নাকি ইসলামও সমর্থন করে না, বললেন শিক্ষামন্ত্রী

220498_1ঢাকা, দেশনিউজ.নেট: শিক্ষানীতি-২০১০ বাতিলের দাবিতে বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনকারীদের কঠোর সমালোচনা করে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ‘আমরা দলীয় শিক্ষানীতি করিনি, জাতীয় শিক্ষানীতি প্রনয়ণ করেছি। না পড়ে, না জেনে, ইন্ধনে শিক্ষানীতি বাতিলের আন্দোলন করা হচ্ছে। এ আন্দোলন ইসলামও সমর্থন করে না।’

সোমবার (১৩ জুন) রাজধানীর মহাখালীস্থ গাউসুল আজম কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন আয়োজিত ‘মাদরাসা শিক্ষা আধুনিকায়ন শীর্ষক সেমিনার’ এবং ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘২০১০ সালে শিক্ষানীতি করা হয়েছে। গত একবছর হঠাৎ আন্দোলন! আপনারা শিক্ষানীতি পড়েন, দেখান কোথায় সমস্যা? সমস্যা থাকলে সমাধান করা হবে। নৈতিক শিক্ষার মূলভিত্তি হলো ধর্ম। প্রতিটি ক্লাসে ইসলাম শিক্ষা বাধ্যতামূলক পড়ানো হচ্ছে। সমস্যা না দেখিয়ে আন্দোলন করলে হবে না।’

সংগঠনটির সভাপতি এএমএম বাহাউদ্দীনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বজলুল হক হারুন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব এএস মাহমুদ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. হুমায়ুন খালিদ।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বলেন, ‘স্কুল এবং মাদরাসার শিক্ষকদের মান-মর্যাদা, বেতন-ভাতা সমান করা হয়েছে। এখন কেউ কারো থেকে কম বেতন বা সম্মান পাচ্ছেন না। সবার ক্ষেত্রে সমতা অর্জিত হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এখন আমাদের প্রয়োজন মান সম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। আমার কাছে মনে হচ্ছে, যথেষ্ঠ পরিমাণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে এ দেশে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আর বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা নেই। দরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো মানসম্পন্ন করে গড়ে তোলা।’

প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত হওয়া প্রসঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘২০১০ সালের শিক্ষানীতিতে প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বলা আছে। মন্ত্রণালয় এ নীতি বাস্তবায়ন করছে। এর জন্য অবকাঠামো, কারিকুলামসহ অন্যান্য বিষয়গুলো বাস্তবায়নে কাজ হচ্ছে। এ নিয়ে চিন্তা করার কিছু নেই। যা যেভাবে চলা দরকার সেভাবে পরিচালিত হবে।’

এ সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যাসহ সংগঠনটির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।