শিরোনাম :

  • শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০১৯

এই লোকগুলো কিভাবে নেতা হয়?

কাফি কামাল : বিএনপি কথায় কথায় গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। লিখলেও অভিযোগ, না লিখলেও অভিযোগ করে। শনিবার (১১ মে) সংগঠনের ৬৫ টি কমিটি করেছে ড্যাব। কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক-সদস্য সচিবদের নামের তালিকাটি ৫ পৃষ্ঠা দীর্ঘ। ইফতারির আগমুহূর্তে মেইলে প্রেস রিলিজ পাঠিয়েছে পিডিএফ ফরম্যাটে। এমন পিডিএফ ফরম্যাট যা আবার কপিও করা যায় না। এখন আপনারাই বলুন, পিক আওয়ারে সেটা কম্পোজ করে নিউজ করা কি সহজ কাজ? নিশ্চয়ই অন্যরাও একই সমস্যায় পড়বে। ড্যাব এর প্যাডে উল্লেখিত আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের নাম্বারে যোগাযোগের চেষ্টা করলাম, যদি সফট কপিটা তারা দয়া করে পাঠান। ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ও ডা. ওবায়দুল কবির খানকে ৫ বার করে ১০বার কল দিলাম মোবাইলে। ফোন ধরলো না কেউ। কলব্যাকও করলো না। পরে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য সায়রুল কবীর খানকে ফোন করে সহায়তা চাইলাম। কিছুক্ষণ পর সেও অক্ষমতা প্রকাশ করলো। এখন প্রশ্ন হচ্ছে লোকগুলোর কি কোন কমনসেন্স নেই? কমিটির অনুমোদনের বিবৃতিও আবার ভুলে ভরা। বিবৃতির প্রথম পৃষ্ঠায় খোদ স্বাক্ষরকারি সদস্যসচিবের নামই দুইরকম। লোকগুলো কি মুর্খ! এর আগেও কয়েকবার একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবারই ফোন দিলে ধরে না, কল ব্যাকও করে না। যেখানে তাদের মূল দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য থেকে মহাসচিব পর্যন্ত সাংবাদিকদের ফোন ধরে বা কলব্যাক করে সেখানে তারা নিজেদের কি মনে করে! তারা কি স্থায়ী কমিটির সদস্য বা মহাসচিবের চেয়ে বড় নেতা? এমন বিবেচনাবোধহীন, অযোগ্য, অসামাজিক, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন লোকজন এতবড় সংগঠনের দায়িত্ব কেমন করে পায়? এইসব লোক কিভাবে সংগঠনকে গণমুখী করে এগিয়ে নেবে? বিএনপি কেন দিন দিন বরবাদির গভীর খাদের কিনারের দিকে যাচ্ছে এইসব দেখে আন্দাজ করা যায়।

কাফি কামাল : সিনিয়র রিপোর্টার, দৈনিক মানবজমিন
[ফেসবুক ওয়াল থেকে সংগৃহীত]