শিরোনাম :

  • রবিবার, ১৬ জুন, ২০১৯

র‌্যাবের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সাহসিকতা সম্মাননা পাচ্ছেন ৫৯ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী মঙ্গলবার। ২০০৪ সালের ২৬শে মার্চ প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতি বছর দিনটিকে রেইজিং ডে হিসেবে পালন করে আসছে সংস্থাটি। বিগত বছরগুলোর মতো এবারও নানা আনুষ্ঠানিকতায় র‌্যাব সদর দপ্তর ও অন্যান্য ব্যাটালিয়নে পালন করা হবে এলিট বাহিনীর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। তবে এবার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন দুইদিন পরে আগামী ২৮শে মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। র‌্যাব সদর দপ্তরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিকে, ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাহসিকতা ও সেবা দুই ক্যাটাগরিতে মোট ৫৯ জন কর্মকর্তা ও সদস্যকে র‌্যাব মহাপরিচালক বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার দেয়া হবে। র‌্যাব সদর দপ্তরের অপারেশন বিভাগের উপ-পরিচালক মেজর এস এম সুদীপ্ত শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানা গেছে।

মনোনীত সদস্যরা পুরস্কার হিসেবে পাবেন ক্রেস্ট, সনদপত্র, নগদ টাকা ও ব্যাজ।

২০১৮ সালের অভিযান পরিচালনা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ৩৪ জন র‌্যাব সদস্য পাবেন সাহসিকতায় বিশেষ সম্মাননা। এ ছাড়া প্রশাসনিক ও সেবামূলক কাজের জন্য ২৫ জনকে সেবা ক্যাটাগরিতে দেয়া হবে বিশেষ সম্মাননা। র‌্যাব মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ আজ সোমবার র‌্যাব সদর দপ্তরের এক অনুষ্ঠানে পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের হাতে সম্মাননা তুলে দেবেন। সাহসিকতায় সম্মাননা পাচ্ছেন র‌্যাব-১ এর সৈনিক মো. রাকিব হোসেন, র‌্যাব-২ এর পরিদর্শক মো. আতিকুর রহমান, র‌্যাব-৩ এর পরিদর্শক মো. ওমর ফারুক, হাবিলদার মো. আবু ইসহাক আলী, র‌্যাব-৪ এর এএসপি মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম সজল, র‌্যাব-৫ এর এএসপি মো. আনোয়ার হোসেন, মো. আজমল হোসেন, ওয়ারেন্ট অফিসার মো. সাহাবুল আলম, সার্জেন্ট মো. টিপু সুলতান, র‌্যাব-৬ এর এএসআই জুয়েল চন্দ্র বিশ্বাস, র‌্যাব-৭ এর এএসপি মো. নুরুজ্জামান, মো. মাশকুর রহমান, কাজী মো. তারেক আজিজ, ওয়ারেন্ট অফিসার মো. আলমগীর কবির খান, র‌্যাব-৮ এর এএসপি মুকুল চাকমা, সার্জেন্ট মো. আব্দুস শুকুর, র‌্যাব-১০ এর এএসআই মো. গোলাম রায়হান, র‌্যাব-১১ ল্যান্স নায়েক মো. আলমগীর হোসেন, এএসআই মো. বেলাল হোসেন, র‌্যাব-১২ এর এএসপি মো. রওশন আলী, র‌্যাব-১৩ এএসপি মো. আহসান হাবীব, এএসপি মো. হাবিবুর রহমান, র‌্যাব-১৪ কনস্টেবল মো. আরমান হোসেন, র‌্যাব-১৫ এর এল এস তৌহিদুল ইসলাম, অপারেশন্স উইংয়ের ল্যান্স করপোরাল সুভাষ চাকমা, ইন্টিলিজেন্স উইংয়ের সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মো. জামাল উদ্দিন খান, এসসিপিও সৈয়দ নওশের আলী, ল্যান্স করপোরাল মো. রোকন আলী, মো. রাশেদুল ইসলাম, এএসআই মো. মিরাজুল ইসলাম, সৈনিক মো. রফিকুল ইসলাম, ওয়ারেন্ট অফিসার মো. মঞ্জুরুল হক ও লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম। এ ছাড়া প্রশাসনিক ও সেবামূলক কাজের জন্য বিশেষ সম্মাননা দেয়া হবে ২৫ জনকে। কনস্টেবল থেকে শুরু করে মেজর ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ব্যক্তিরা পাবেন সেবায় বিশেষ সম্মাননা।

পুরস্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান জানান, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও সাহসিকতা ও সেবা দুই ক্যাটাগরিতে র‌্যাব সদস্যদের পুরস্কার দেয়া হবে। র‌্যাব সদস্যরা তাদের নিজ নিজ কাজে যে সফলতা দেখিয়েছে তার উপর ভিত্তি করে এ পুরস্কার দেয়া হয়। র‌্যাব মনে করে, পুরস্কারের ফলে সদস্যদের মধ্যে সাহসিকতা ও কর্মস্পৃহা বাড়বে। সাহসিকতায় বিশেষ সম্মাননার জন্য মনোনীত র‌্যাব-৭ এর সহকারী পুলিশ সুপার কাজী মো. তারেক আজিজ জানান, পুরস্কার পাওয়া সব সময়ের আনন্দের বিষয়। র‌্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ সম্মাননা সামনের দিনে আমার কাজের গতি বাড়াবে বলে মনে করি। এ ছাড়া পুরস্কারের মধ্যদিয়ে দেশসেবায় আরো দায়বদ্ধ হয়ে গেলাম।