যে ১৪টি কাজ শুধুমাত্র মহানবী স. এর জন্য বৈধ ছিল

৯টি কাজ বিশেষভাবে মহানবী (সা.)-এর ওপর ফরজ ছিল। কাজগুলো হলো—

১. তাহাজ্জুদ নামাজ : আল্লাহ তাআলা মহানবী (সা.)-এর ওপর তাহাজ্জুদ নামাজ ফরজ করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে চাদর আচ্ছাদিত ব্যক্তি! (ঘুম থেকে) উঠুন এবং আপনার রবের বড়ত্বের কথা বর্ণনা করুন।’ (সুরা : আল মুদ্দাসসির, আয়াত : ১-২)।

২. চাশতের নামাজ পড়া।

৩. কোরবানি করা।

৪. বিতর নামাজ পড়া।

৫. মিসওয়াক করা।

৬. দরিদ্রদের ঋণ পরিশোধ করা।

৭. শরয়ি কাজ ছাড়া অন্য কাজে নিকটাত্মীয়ের সঙ্গে পরামর্শ করা।

৮. স্ত্রীদের সফরের জন্য মনোনীত করা।

৯. মন্দ কাজ প্রত্যক্ষ করলে তাকে মন্দ ভাবা।

৮টি কাজ মহানবী (সা.)-এর জন্য হারাম

১. জাকাতের অর্থ ভক্ষণ করা। তাঁর বংশধরের জন্যও জাকাত, ফিতরা ইত্যাদি হারাম ছিল।

২. নফল সদকা।

৩. চোখের খিয়ানত করা। ৪. যুদ্ধের পোশাক পরিধান করার পর তা খুলে ফেলা। ৫. ঠেস দিয়ে বসে আহার করা।

৬. দুর্গন্ধ ও অপছন্দনীয় খাদ্য ভক্ষণ করা।

৭. আহলে কিতাব স্বাধীন নারীকে বিবাহ করা।

৮. দাসীকে বিবাহ করা।

১৪টি কাজ মহানবী (সা.)-এর জন্য বিশেষভাবে বৈধ

১. গনিমতের সম্পদ ভক্ষণ করা, অন্য নবীর শরিয়তে তা অবৈধ ছিল।

২. গনিমতের এক-পঞ্চমাংশ নিজে ব্যয় করা।

৩. সাওমে বেসাল তথা দিবা-রজনীতে না খেয়ে একাধারে রোজা রাখা।

৪. চারের অধিক বিবাহ করা।

৫. ‘হেবা’ শব্দ ব্যবহার করে বিবাহ করা।

৬. অভিভাবক ছাড়া বিবাহ করা।

৭. মোহর ছাড়া বিবাহ করা।

৮. ইহরাম অবস্থায় বিবাহ করা।

৯. স্ত্রীদের সঙ্গে শপথ ভঙ্গ করা।

১০. মোহরানা স্বাধীনভাবে নির্ধারণ করা।

১১. ইহরাম ছাড়া মক্কায় প্রবেশ করা।

১২. হারাম শরিফে যুদ্ধবিগ্রহ করা (অন্য নবীদের সময় হারাম ছিল। মক্কা বিজয়কালে কিছু সময়ের জন্য হালাল করা হয়েছে)। ১৩. তাঁর কেউ ওয়ারিশ হয়নি।

১৪. তাঁর ওফাতের পরও স্ত্রীদের সঙ্গে তাঁর বৈবাহিক সম্পর্ক বজায় থাকা (কুরতুবি)।