চিহ্নিত করতেই নারীদের মেয়েলি প্রতীকঃ শাহ নেওয়াজ

shahnewajনিজস্ব প্রতিবেদকঃ পৌরসভা নির্বাচনের সংরক্ষিত আসনের নারীদের চিহ্নিত করতেই মেয়েলি প্রতীকগুলো বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন  নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ। তিনি বলেন, প্রতীকগুলো কাউকে ‘অসম্মান’ করতে বরাদ্দ দেয়া হয়নি। এগুলো করা হয়েছে প্রার্থীকে চিহ্নিত করতে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের  নিজ কার্যালয়ে সোমবার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি ।

সংরক্ষিত নারী আসনের প্রতীক হিসেবে ফ্রক, চুড়ি, পুতুল, কাঁচিসহ ১০টি মেয়েলি ও গৃহস্থালি প্রতীক সংরক্ষণ করে ইসি। সম্প্রতি এ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে নারী নেত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এছাড়া বিগত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও নারীদের জন্য গৃহস্থলি দ্রব্য প্রতীক হিসেবে রাখা হয়েছিল। সে সময়ও সমালোচনার মুখে পড়ে ইসি। কিন্তু সে থেকে শিক্ষা না নিয়ে এবারও এ ধরনের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

শাহ নেওয়াজ বলেন, আমরা স্থানীয় সরকার পৌরসভা নির্বাচনের আইন পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গেই বিধিমালাও পরিবর্তন করেছি। তাই প্রতীক নিয়ে আলোচনার জন্য খুব সময় পাইনি। যে কারণে ওই প্রতীকগুলোই তাড়াহুড়ো করে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, নারী প্রার্থীদের প্রতীকগুলো দেয়া হয়েছে চিহ্নিত করার জন্য, অসম্মান জানাতে বা আঘাত করার জন্য নয়। এ নিয়ে কেউ অভিযোগ দিলে ওগুলো বাদ দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করবো। কেউ অস্বস্তি বোধ করলে তা বাদ দিতে বিবেচনা করবো।

রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে প্রশাসনের কর্মকর্তা নিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের জনবল কম। যারা আছেন তাদের অনেকেই সিনিয়র নন। আবার ৮৫ জন কর্মকর্তা মামলার কারণে দায়িত্বে নেই। কাজেই ইচ্ছে থাকার পরও রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে সব পৌরসভায় নিজেদের কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, আগে সব পৌরসভাতেই প্রশাসনের লোকবল দিয়ে নির্বাচন করা হয়েছে। তখনও নির্বাচন সুন্দর ও সুষ্ঠু হয়েছে। এবারই প্রথম পৌরসভা নির্বাচনে আমাদের এতোজন কর্মকর্তা নিয়োগ করেছি। তাই এবারও নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হবে।

প্রচারণার বিষয়ে তিনি বলেন, দলের মেয়র প্রার্থীরা আগামী ৯ ডিসেম্বর থেকেই প্রচারণা চালাতে পারবেন। স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী এবং কাউন্সিলরদের প্রতীকের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। কেননা, তাদের প্রতীক বরাদ্দ হবে আগামী ১৪ ডিসেম্বর। এজন্য তাদের বিরাট ক্ষতি হয়ে যাবে বলে মনে করি না।